থমকে এমআরআই! হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট

থমকে এমআরআই! হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট। হরমুজে ইরানের নিষেধাজ্ঞায় জ্বালানি তেল ও এলএনজি-র অভাবে ধুঁকছে পৃথিবী। তবে শুধু তেল.....

থমকে এমআরআই! হরমুজ বন্ধে বিশ্বজুড়ে হিলিয়াম সংকট। হরমুজে ইরানের নিষেধাজ্ঞায় জ্বালানি তেল ও এলএনজি-র অভাবে ধুঁকছে পৃথিবী। তবে শুধু তেল নয় হরমুজে তালা পড়ায় প্রযুক্তি, চিকিৎসাক্ষেত্র ও সেমিকন্ডাক্টের মতো ক্ষেত্রগুলিতে। কারণ, এইসব ক্ষেত্রগুলি সচল রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী হল হিলিয়াম গ্যাস। গোটা বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ হিলিয়াম গ্যাস রপ্তানি হয় হরমুজ প্রণালী থেকে। ভারত চাহিদার ১০০ শতাংশ হিলিয়ামই বাইরে থেকে আমদানি করে। যুদ্ধের জেরে তা কার্যত স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে।

 

এলএনজি উত্তোলনের মাধ্যমেই পাওয়া যায় গুরুত্বপূর্ণ হিলিয়াম গ্যাস। যা ব্যবহৃত হয় প্রযুক্তি, চিকিৎসাক্ষেত্র, মহাকাশ গবেষণা ও সেমিকন্ডাক্টে। গ্যাসটি অত্যন্ত হালকা হওয়ায় একে সংরক্ষণ করা কঠিন। সংরক্ষণ করা হলেও ধীরে ধরে এটি বায়ুমন্ডলে মিশে যায়। যা পুনরুদ্ধার করা অসম্ভব। এদিকে রিপোর্ট বলছে, বিশ্বব্যাপী হিলিয়ামের মজুদ মাত্র ৪৫ দিনের জন্য সীমাবদ্ধ। সুতরাং, হরমুজ প্রণালী চালু না হলে, পৃথিবীজুড়ে ভয়াবহ আকার নেবে সংকট। এদিকে জানা যাচ্ছে, ইরানের হামলায় কাতারে জ্বালানি গ্যাসের উৎপাদন ক্ষেত্র ভয়ংকরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এলএনজির পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হিলিয়াম উৎপাদন। গোটা পৃথিবীর চাহিদার ৩০ থেকে ৩৩ শতাংশ হিলিয়াম আসে কাতার থেকে। আমেরিকা ও রাশিয়া কিছুটা হিলিয়াম উৎপাদন করলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ফলে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন