টানা দুই ম্যাচে জয়ের নায়ক সেই সমীর রিজভি। আগের ম্যাচে ৭০, এবার খেললেন ৫১ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তাঁর চওড়া ব্যাটে ভর করেই ঘরের মাঠ কোটলায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে দিল দিল্লি ক্যাপিটালস। এই জয়ের ফলে আইপিএলের পয়েন্ট তালিকায় মগডালে উঠে এল অক্ষর পটেলের দল। একইসঙ্গে নেট রান রেটেও অনেকটা এগিয়ে গেল তারা।
শনিবার টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন অক্ষর। হার্দিক পাণ্ড্যর অনুপস্থিতিতে মুম্বইকে নেতৃত্ব দেন সূর্যকুমার যাদব। মুকেশ কুমারের জোড়া উইকেটে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল মুম্বই। অধিনায়ক সূর্যের ৫১ এবং রোহিত শর্মার ৩৫ রানের সৌজন্যে ১৬২/৬ স্কোর খাড়া করে পল্টনরা। রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে কাঁপছিল দিল্লি। কেএল রাহুল (১) ও নীতীশ রানা দ্রুত ফেরায় চাপ বাড়ে। বিপর্যয় সামাল দেন পাথুম নিসঙ্ক ও সমীর। নিসঙ্ক ৪৪ করে ফিরলেও সমীর ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। সাতটি চার ও সাতটি ছক্কায় সাজানো তাঁর ৯০ রানের ইনিংস দিল্লির জয় নিশ্চিত করে দেয়। শেষবেলায় ডেভিড মিলার ২১ রানে অপরাজিত থেকে ১১ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ পকেটে পোরেন। ওদিকে রাহুলের ধারাবাহিক অফ-ফর্ম দিল্লির চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ালেও সমীরের ব্যাটে এখন শুধুই বসন্ত।
শনিবার দ্বিতীয়ার্ধে মুখোমুখি হয় রাজস্থান রয়্যালস ও গুজরাট টাইটান্স । পেশিতে টানের কারণে নেই শুভমন গিল। শনিবারের হাইভোল্টেজ ম্যাচে সেনাপতির অভাবেই কোণঠাসা গুজরাট টাইটান্স। গিলের বদলে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রশিদ খান। আর এই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বড় রানের পথে রাজস্থান রয়্যালস। টসে জিতে শুরুতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন সঞ্জু স্যামসন। প্রথম ২ ওভারেই ১৭ রান তুলে আগ্রাসী মেজাজ স্পষ্ট করে দেন দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও বৈভব। রাত ৮টা গড়াতেই ছবিটা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে গুজরাটের জন্য।
৯ ওভার শেষে রাজস্থানের স্কোর এক উইকেটে ৯২ রান। ক্রিজে তখন শাসন চালাচ্ছেন যশস্বী ও ধ্রুব জুরেল। গিলের না থাকাটা গুজরাটের জন্য বড় ধাক্কা। সেই দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে শুরু থেকেই রানের পাহাড় গড়ার লক্ষে ছুটছে রাজস্থান রয়্যালস। ওদিকে ওপেনিংয়ে বৈভবের বিধ্বংসী ১৪ ও যশস্বীর দাপুটে ব্যাটিংয়ে দিশেহারা রশিদের বোলাররা। জয়পুরের মাঠে আজ শুধুই গোলাপি ঝড়।


