হাওড়ার নিশ্চিন্দা কাণ্ডে বিহার থেকে পাকড়াও মূল অভিযুক্ত

চার মাস তেরো দিন পর অবশেষে সাফল্য। হাওড়ার নিশ্চিন্দায় সাঁপুইপাড়া-বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মন্ডলকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায়.....

চার মাস তেরো দিন পর অবশেষে সাফল্য। হাওড়ার নিশ্চিন্দায় সাঁপুইপাড়া-বসুকাটি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দেবব্রত মন্ডলকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাসু চৌধুরীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বিহারের বেগুসরাই থেকে তাকে জালে তুলেছে হাওড়া সিটি পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। গত ২৭ নভেম্বর রাতের সেই রক্তক্ষয়ী হামলার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিল অভিযুক্ত বাসু।

হামলার শিকার দেবব্রত মন্ডল ওরফে বাবু মন্ডল পুলিশের এই তৎপরতায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, ‘ওই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত বাসু চৌধুরীকে বিহারের বেগুসরাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন অনেকটাই স্বস্তি লাগছে। প্রথম থেকেই প্রশাসনের উপর আমার অগাধ বিশ্বাস এবং আস্থা ছিল। প্রায় চার মাস ১৩ দিন পর মূল অভিযুক্ত ধরা পড়ল। পুলিশ পুলিশের কাজ করেছে। আমি চাই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।’

 

তবে গ্রেফতারির খবর পেলেও মন থেকে আতঙ্ক পুরোপুরি মুছতে পারছেন না তৃণমূলের এই অঞ্চল চেয়ারম্যান। পুরনো অভিজ্ঞতার কথা মনে করে তিনি জানান, ‘এখনও পুরোপুরি আমার ভয় কাটেনি। আমি সচরাচর বাইরে বেরোই না। আতঙ্কের মধ্যে এতদিন ছিলাম। আজকে স্বস্তি পেলাম যে অভিযুক্ত ধরা পড়েছে। প্রশাসনকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাব।’
ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের ২৭ নভেম্বর রাত ১১টা নাগাদ। বালির নিশ্চিন্দায় বুড়ো শিবতলা ষষ্ঠীতলা মালিবাগানের কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন দেবব্রত বাবু ও তাঁর সঙ্গী অনুপম রানা।

 

অভিযোগ, সেই সময়ই তাঁদের ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুষ্কৃতীরা। এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাস্থলে মোট পাঁচ রাউন্ড গুলি চলেছিল। রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে বেলুড় স্টেট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উত্তর হাওড়ার বেসরকারি হাসপাতাল ও পরে দেবব্রত বাবুকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। হামলার ন’দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। অভিযুক্তের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান।

আরও পড়ুন