ইসলামাবাদে শুরু হল মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা

বিশ্বের চোখ আজ পাকিস্তানের রাজধানীতে। শনিবার ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যুদ্ধবিরতি আলোচনা। ছয় সপ্তাহ আগে.....

বিশ্বের চোখ আজ পাকিস্তানের রাজধানীতে। শনিবার ইসলামাবাদে শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যুদ্ধবিরতি আলোচনা। ছয় সপ্তাহ আগে যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি হয়েছিল তাকে স্থায়ী শান্তিতে রূপ দিতেই এই বৈঠক। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটাই প্রথম সরাসরি কূটনৈতিক আলোচনা। আলোচনার আগে মার্কিন উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন। শরিফ আশা প্রকাশ করেন এই আলোচনা অঞ্চলে শান্তির পথ খুলে দেবে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফের সঙ্গেও বৈঠক করেন শরিফ। পরে শরিফের দফতর জানায়, শান্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান তার ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।

 

ভ্যান্স আলোচনায় সদিচ্ছার বার্তা নিয়ে এলেও ওয়াশিংটনে বসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে গোলাবারুদ বোঝাই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুত রয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন পার্লামেন্ট স্পিকার ঘালিবাফ এবং বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তেহরান আলোচনার আগেই শর্ত দিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং আটকে রাখা সম্পদ মুক্ত করতে হবে।

 

এদিকে রয়টার্সকে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন সূত্র জানিয়েছে, কাতার ও অন্যান্য বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন। হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার সঙ্গেও এই বিষয়টি যুক্ত বলে জানানো হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস এই দাবি অস্বীকার করেছে। এই আলোচনা সফল হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি। তবে বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে ইসলামাবাদের দিকে।

আরও পড়ুন