কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বলিউড। রবিবার ৯২ বছর বয়সে তাঁর মহাপ্রয়াণের পর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে পরিচালক রাম গোপাল বর্মা তুলে ধরলেন ‘রঙ্গিলা’ ছবির সেই কালজয়ী রেকর্ডিংয়ের দিনগুলো। তাঁর কথায়, একজন রানি বা সম্রাজ্ঞীর মতো ব্যক্তিত্ব নিয়ে স্টুডিওতে ঢুকলেও কাজের সময় আশা ছিলেন একেবারে শিশুর মতো কৌতূহলী। এআর রহমানের মতো তৎকালীন ‘নিউ এজ’ সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার জন্য তাঁর যে খিদে ছিল, তা আজও বিস্ময় জাগায় আরজিভির মনে।
আরজিভির স্মৃতিতে সেই রেকর্ডিং: পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বর্মা বলেন, “তিনি যখন স্টুডিওতে আসতেন, মনে হতো কোনো রানি পায়ে হেঁটে আসছেন। কিন্তু কাজের সময় তাঁর চোখেমুখে থাকত এক নতুনের মতো অপার বিস্ময় আর কৌতূহল। রহমানের মতো আধুনিক যুগের সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে নতুন কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তিনি রীতিমতো ক্ষুধার্ত ছিলেন।”
১৯৯৫ সালের ‘রঙ্গিলা’ ছবিতে ‘তন্হা তন্হা’ বা ‘রঙ্গিলা রে’-র মতো গানে আশাজির সেই চিরযৌবনা কণ্ঠ আজও শ্রোতাদের কানে ভাসে। আরজিভির মতে, নিজের দীর্ঘ কেরিয়ারের সাফল্যকে কোনোদিন অহংকার হতে দেননি এই সুরসম্রাজ্ঞী। বরং নব্বইয়ের দশকের নতুন ধারার মিউজিকের সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী। আশাজির এই চলে যাওয়া শুধু এক গায়িকার বিদায় নয়, বরং এক চিরকালীন অদম্য জেদ আর সুরের প্যাশনের অবসান।


