বিরাটের রেস্তোরাঁয় তালা! কোটি কোটি টাকার ঋণের দায়ে পাততাড়ি গোটাল ‘ওয়ান৮ কমিউন’

মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে চর্চা চললেও, মাঠের বাইরের এক খবরে বড়সড় ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলি ভক্তরা। বেঙ্গালুরু শহরে ভারতীয় ক্রিকেট আইকনের.....

মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে চর্চা চললেও, মাঠের বাইরের এক খবরে বড়সড় ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলি ভক্তরা। বেঙ্গালুরু শহরে ভারতীয় ক্রিকেট আইকনের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ ‘ওয়ান৮ কমিউন’ বন্ধ হয়ে গেল। মূলত বিপুল অঙ্কের বকেয়া ঋণ এবং আইনি জটিলতার জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

∆ কেন বন্ধ হলো রেস্তরাঁ?

বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের ঠিক পাশেই অবস্থিত ছিল এই বিলাসবহুল আউটলেটটি। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্কের ছায়া পিছু ছাড়ছিল না এই রেস্তোরাঁর।

১) বিপুল বকেয়া :

জানা গিয়েছে, প্রায় ছয় মাসের বাড়ি ভাড়া, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ এবং ট্যাক্স মিলিয়ে বকেয়ার পরিমাণ ২ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে।

২) আদালতের নির্দেশ :

বারবার নোটিস সত্ত্বেও বকেয়া পরিশোধ না করায় বাড়ির মালিক আদালতের দ্বারস্থ হন। এরপরই বেঙ্গালুরু সিভিল কোর্টের নির্দেশে রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

∆ কোহলির দূরত্ব ও আইনি জটিলতা :-

যদিও সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতির আঁচ পেয়ে বেশ কিছুদিন আগেই ওই আউটলেটটি থেকে নিজের ব্র্যান্ডের নাম সরিয়ে নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। রেস্তোরাঁটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিল ‘ট্রিও হিলস হসপিটালিটি’। বকেয়া টাকা ছাড়াও একাধিক প্রশাসনিক কারণে বিড়ম্বনায় পড়েছিল এই শাখাটি:

১. নিরাপত্তার অভাব:

অগ্নি নির্বাপণ দপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই ব্যবসা চালানোর অভিযোগ ছিল।

২. সময়সীমা লঙ্ঘন:

নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি রাত পর্যন্ত রেস্তরাঁ খোলা রাখার দায়েও মামলা হয়েছিল।

৩. তামাক আইন:

গত বছর জুন মাসে ধূমপানের নির্দিষ্ট জায়গা না থাকা নিয়ে ‘সিগারেট ও তামাকজাত দ্রব্য আইন’ ভঙ্গের অভিযোগ ওঠে।

∆ ব্যবসায়িক মন্দা :-

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে ধুমধাম করে শুরু হওয়া এই আউটলেটটি বছর দুয়েকও টিকতে পারল না। কোহলির ব্র্যান্ড সরে যাওয়ার পর থেকে ক্রেতার সংখ্যা ক্রমশ কমছিল, যা শেষ পর্যন্ত কোটি টাকার লোকসানে পর্যবসিত হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত আপাতত খুলছে না এই রেস্তরাঁ।

আরও পড়ুন