বিজেপির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ অভিষেকর

বিজেপির বুথে বসার লোকও নেই। তাই ১০ হাজার টাকা দিয়ে লোক চাইছে।’ শনিবার কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে এমন বেশ.....

বিজেপির বুথে বসার লোকও নেই। তাই ১০ হাজার টাকা দিয়ে লোক চাইছে।’ শনিবার কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে এমন বেশ বড় অভিযোগ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে সাঁইথিয়া থেকে নয়া ফর্মুলা দিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘বিজেপি টাকা অফার করলে মান অভিমান করবেন না। টাকাটা নিয়ে নেবেন। পদ্মফুলের থেকে টাকা নিয়ে জোড়াফুলে ভোট দেবেন। বিজেপির নেতারা ভোট চাইতে এলে এদের আশ্বস্ত করবেন, যেভাবে টাকা আটকে রেখে বেইমানি করেছে, সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে তাদের।’ তিনি সুর চড়িয়ে আরও বলেছেন, যে টাকা দিয়ে বিজেপি কাজ করাতে চাইছে, সেই টাকা কারও বাপের সম্পত্তি নয়। বাংলার মানুষের টাকা। এখন ঠেলায় পড়েছে, তাই টাকা বের করছে। পদ্মফুলের থেকে টাকা নিয়ে জোড়া ফুলে ভোট দেবেন। যে যেই ভাষা বোঝে, তাঁকে সেই ভাষাতেই জবাব দিতে হবে। তাঁর অভিযোগ, ‘যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁদের দেশবিরোধী বলছে বিজেপি।

 

তাহলে ৫৭ লক্ষ ৫০ হাজার হিন্দু বাংলাদেশি?’ রেজিনগরের শক্তিপুর থানার সামনে প্রতাপ সঙ্ঘ খেলার মাঠে রেজিনগর ও ভরতপুরের প্রার্থী আতাউর রহমান ও মুস্তাফিজুর রহমান সুমনের সর্মথনে জনসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় যোগ দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘ ৪ মে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার তৈরি হবে। যাঁদের নাম গায়ের জোরে বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, আমাদের প্রথম শপথ একমাসের মধ্যে সকলে ভোটাধিকার ফিরে পাবেন। আপনারা সকলে এ রাজ্যের নাগরিক, এ দেশের নাগরিক। কেউ এটা নিয়ে চিন্তিত হবেন না।’ যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা কি বেনাগরিক হয়ে যাবেন? তাঁদের কি ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে? ভোটাধিকার হারালে কী হবে? নানা অনিশ্চয়তার মাঝেই অভিষেকের বার্তা, ‘আমরা বলেছিলাম বাংলায় এনআরসি হতে দেবো না। গত ৫ বছরে বাংলায় এনআরসি হয়নি।

 

আমি আপনাদের অনুরোধ করব, মুর্শিদাবাদ জেলায় আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ সাঁইথিয়া থেকে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রায় ২০ মাস ধরে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয় দিয়ে রেখেছেন। শেখ হাসিনা অনুপ্রবেশকারী নাকি শরণার্থী? বিজেপির নেতাদের কাছে উত্তর আছে? যাঁরা বাংলাদেশিদের আশ্রয় দিয়ে বাংলার মানুষের অধিকার কাড়ছে, তাঁদের জবাব দিতে হবে। ২৩ এপ্রিল ঝড় বৃষ্টি যাই হোক, লাইনে দাঁড়িয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে। এই নির্বাচন প্রতিবাদের ও প্রতিশোধ নেওয়ার ভোট।’ তিনি এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূলের গ্যারান্টি মানে লাইফটাইম ওয়ারেন্টি। অন্যদিকে, বিজেপির গ্যারান্টি মানেই জিরো ওয়ারেন্টি। এদিন তৃণমূলের ১০ প্রতিজ্ঞার মধ্যে ৫ প্রতিজ্ঞার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন