বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সাংবিধানিক সমাধান করা হবে , প্রতিশ্রুতি শাহের

‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সাংবিধানিক সমাধান করা হবে।’ বাংলায় প্রথম দফা ভোটগ্রহণ এর আগে এভাবেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে গোর্খাল্যান্ড সমস্যার.....

‘বাংলাকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার সাংবিধানিক সমাধান করা হবে।’ বাংলায় প্রথম দফা ভোটগ্রহণ এর আগে এভাবেই উত্তরবঙ্গের মানুষকে গোর্খাল্যান্ড সমস্যার সমাধানের পথ বাতলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বঙ্গ বিজেপির ইশতেহারে উত্তরবঙ্গের জন্য একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। কলকাতায় বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহার বা ‘সংকল্প পত্র’ প্রকাশ করার সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট জানান, বাংলার ঐক্য বজায় রেখেই পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সাংবিধানিক সমাধান খোঁজা হবে। উত্তরবঙ্গে ভোট প্রচারে গিয়ে ফের একবার সেই আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের জনসভা থেকে শাহ বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে না ভেঙেই গোর্খা সমস্যার একটি সাংবিধানিক সমাধান করা হবে। এই সমস্যার স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধানে কেন্দ্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি জানান।

 

 

পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে চারটি বড় শহর গড়ে তোলা হবে, যা অর্থনীতি, পরিকাঠামো ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। পর্যটনের বিকাশে দার্জিলিংকে একটি বড় ইকো-অ্যাডভেঞ্চার হাবে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন শাহ, যা উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। অমিত শাহ এদিন বলেন, ‘আমরা উত্তরবঙ্গের জন্য দার্জিলিং থেকে সুন্দরবন একটি খুব বড় মহাসড়ক বানাব। গোটা উত্তরবঙ্গের বিকাশ করব। উত্তরবঙ্গে এইমস তৈরি হবে। কল্যাণীর এইমস দূরে হয় তো আপনাদের জন্য? উত্তরবঙ্গের জন্য একটি পৃথক ৬০০ শয্যার ক্যান্সার হাসপাতাল তৈরি করবে বিজেপি। উত্তরবঙ্গে আমাদের যুবকদের জন্য আইআইটি বানাবে বিজেপি সরকার। আপনাদের জন্য একটি আইআইএম-ও খোলা হবে উত্তরবঙ্গের কোনও একটি জেলায়। উত্তরবঙ্গে একটি ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ও প্রতিষ্ঠা করবে বিজেপি। আমরা রাজবংশী ভাষাকে অষ্টম তফসিলের অন্তর্ভুক্ত করব। একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হবে উত্তরবঙ্গের জন্য। দার্জিলিংকে একটি বড় ইকো অ্যাডভেঞ্চার হাবে পরিণত করা হবে।’

 

আবার মালদহের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার বিষয় বলেন, ‘এখানে অনেকে চারটি বিয়ে করেন তো? কেউ একটা করেন। অপেক্ষা করুন। বিজেপির সরকার আসছে। চারটি বিয়ে করা চলবে না। ৫ তারিখের পর পশ্চিমবঙ্গে অভিন্ন দেওয়ানি নীতি(ইউসিসি) চালু হবে। চিন্তা করবেন না। বিজেপি সরকার গড়ার পর আমরা সাড়ে ৬০০ একর বিএসএফ-কে জমি দেব। সেখানে কাঁটাতার বসানোর কাজ শেষ হবে যাবে। এক এক জন অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে-খুঁজে বার করে দেশছাড়ার কাজ করবে বিজেপির সরকার। সব সিন্ডিকেট শেষ করার সময় এসে গিয়েছে। ৫ তারিখ থেকে সেই কাজ শুরু হবে। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে অন্যায় হয়েছে। সিন্ডিকেট যাঁরা করেন, তাঁদের সকলকে জেলে পাঠানো হবে। ভিড় দেখেই মনে হচ্ছে, ৪ তারিখ মমতার সরকারকে টাটা-টাটা বাই-বাই করার সময় এসে গিয়েছে’।

আরও পড়ুন