এবছর বীরভূম জেলায় বুথের সংখ্যা থাকবে ৩২৫৬টি, গতবছর যা ছিল ৩০৭৪টি। যার মধ্যে পিঙ্ক বুথ বা মহিলা বুথের সংখ্যা করা হয়েছে ৩৫০টি (গত বছর ছিল ২৫০+টি)। অন্যদিকে মডেল বুথ থাকবে আরো ১১টি। এবছর স্বচ্ছ নির্বাচনের লক্ষ্যে ১০০ শতাংশ বুথেই ওয়েব ক্যাস্টিং-এর কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। তবে চিহ্নিত করা জেলার ১৪০৯টি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে ভেতর ছাড়া বাইরেও বসানো হবে সিসিটিভি ক্যামেরা।
এছাড়াও নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য বছর যেখানে একটি ভোটকেন্দ্রে ভোটার এসিস্ট্যান্স বুথে একজন করে থাকতেন, সেখানে এবার শুধু ভোটকেন্দ্র নয় প্রতিটি বুথে একজন করে মহিলা এবং পুরুষ থাকবেন। পাশাপাশি এ বছর অস্থায়ী কর্মীদেরও এই ভোট কর্মীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে পরিমাণ ভোট কর্মী প্রয়োজন রয়েছে তার তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি রয়েছে মহিলা ভোট কর্মী এবং ৫শতাংশ বেশী রয়েছে পুরুষ ভোট কর্মী। বর্তমানে বীরভূম জেলায় মোতায়েন রয়েছে ৫১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, তবে আরও ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা বীরভূমে। জেলা পুলিশের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জানান, ‘স্বচ্ছ ভোটের লক্ষ্যে এবারে আরও বেশি নজর দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্র গুলিতে।
যেমন স্পর্শকাতর বুথ গুলিতে বুথের ভেতর ছাড়া বাইরেও থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং ওয়েব ক্যাস্টিং-এর ব্যবস্থা। অন্যদিকে সাধারণ ভোট কেন্দ্রগুলির যেখানে দুটি বুথ রয়েছে সেখানে মোতায়েন করা হবে ১/২ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী, তবে যেখানে স্পর্শকাতর হিসেবে দুটি বুথ রয়েছে সেখানে মোতায়েন করা হবে ৩/৪ সেকসেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। অন্যদিকে, যেখানে ২ এর বেশি সাধারণ বুথ রয়েছে সেখানে মোতায়েন করা হবে ১ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্পর্শকাতর এর ক্ষেত্রে সেটা বুথের সংখ্যা ও প্রয়োজন বিশেষে বাড়ানো হবে’।

