প্রথম দফায় আমরা ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকিয়েছি, আর দ্বিতীয় দফায় ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ পেরিয়ে যাব , হুংকার অভিষেকের

‘প্রথম দফায় আমরা ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকিয়েছি, আর দ্বিতীয় দফায়—২৯শে এপ্রিল—আমরা ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ পেরিয়ে যাব। এমনকি, ২০০-র গণ্ডি পার করার পর এই.....

‘প্রথম দফায় আমরা ‘সেঞ্চুরি’ হাঁকিয়েছি, আর দ্বিতীয় দফায়—২৯শে এপ্রিল—আমরা ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ পেরিয়ে যাব। এমনকি, ২০০-র গণ্ডি পার করার পর এই সংখ্যাটা ঠিক কোথায় গিয়ে থামবে, তা আমারও জানা নেই’। শনিবার বসিরহাটের নির্বাচনী জনসভা থেকে এভাবেই প্রধান বিরোধী দল বিজেপির উদ্দেশ্যে হুংকার দিলেন তৃণমূলের সেনাপতি তথা সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

 

পাশাপাশি এদিনের জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্দেশ্যে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছি জল বেশি খান শরীর সুস্থ রাখুন৷ চার তারিখ বিকেল চারটের পর দেখা হবে৷ লাইনের জবাব লাইনে দিতে হবে৷ আমাদের প্রতি অত্যাচারের জবাব ২৯ তারিখ হবে৷ মায়েদের বলব ঝাঁটা হাতের নাগালে রাখবেন’৷ প্রথম দফা নির্বাচনের পরের দিনই সাংবাদিক বৈঠক ডেকে অমিত শাহ দাবি করেছিলেন, প্রথম দফার ১৫২টা আসনের মধ্যে ১১০টারও বেশি আসন পাচ্ছে বিজেপি৷ অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি প্রথম দফায় ১২৫-১৩৪টা আসন পাবে তারা৷ এই বসিরহাট বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এই প্রথমবার জিতে বিধানসভায় গিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপির বর্তমান রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

 

এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে সেই প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিয়ে অভিষেকের কটাক্ষ, ‘শমীক ভট্টাচার্য বসিরহাট দক্ষিণে উপনির্বাচনে জিতে মানুষের দাবি পূরণ করতে পারেননি৷ তৃণমূল জিতলে পাঁচ বছরের মধ্যে সব গরিব মানুষ বাড়ি পাবে৷ বসিরহাটে ৫০ হাজার মানুষ এর মাথার উপর পাকা ছাদ হবে’৷ অন্যদিকে যে দিন ভাঙড়ের নির্বাচনী জনসভা থেকে সিপিএম আইএসএফ এবং বিজেপির মধ্যে গোপন সমঝোতার তত্ত্ব তুলে ধরে নন্দীগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে ধরে অভিষেকের দাবি, ‘জোট করা সত্ত্বেও, নন্দীগ্রামে কাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য সিপিআই ও আইএসএফও আলাদা আলাদা প্রার্থী দিয়েছে?’ এদিন ভাঙড়ের কাটাডাঙ্গা মাঠের জনসভা থেকে একাধিক ইস্যুতে নৌশাদ সিদ্দিকি ও আইএসএফের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে অভিষেক বলেন, ‘সিপিএম আর আইএসএফের জোট হয়েছে। হয়েছে কি না ?

 

সংখ্যালঘুদের পাকিস্তানি কে বলে? শুভেন্দু অধিকারী। তাই তো? এবার আমার প্রশ্ন যদি, শুভেন্দু অধিকারী সংখ্যালঘুদের বাংলাদেশি পাকিস্তানি বলেন, আর সিপিএমের সঙ্গে আইএসএফের জোট হয়ে থাকে, তাহলে নন্দীগ্রামে সিপিআই প্রার্থী দিয়েছে, আইএসএফও প্রার্থী দিয়েছে। কেন ? কাকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ? কার হাত শক্তিশালী করার জন্য ? কার থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে ? যদি জোট হয়ে থাকে কেন সেখানে দুই দলই প্রার্থী দেবে ? তার মানে কী ? সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করো, আর বিজেপিকে জিততে সুযোগ করে দাও। বিজেপির বি টিম। আর আমি যদি মিথ্যা কথা বলি, তোমার সৎ সাহস থাকে, আর বুকের পাটা থাকে, অন-রেকর্ড বলে যাচ্ছি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে জেলে ঢোকাও। দেখি কার কত সাহস?’

আরও পড়ুন