শনিবার পর রবিবারও বহরমপুরে নির্বাচনী প্রচারে উত্তেজনা বিরাজ করল। কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরীর মিছিলে তিনটি স্থানে গো ব্যাক স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা এ স্লোগান দেন। অশান্তি এড়াতে প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন ছিল।রবিবার সকালে বহরমপুর পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মোহন রায় পাড়া মোড় থেকে পায়ে হেঁটে মিছিল শুরু করেন অধীর। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা।
শনিবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর প্রশাসন সকাল থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করে।তবে তিনটি এলাকায়—৩ নম্বর ওয়ার্ডের দয়াময়ী কালী বাড়ি, দয়ানগর মোড় ও কান্ডনগর রোড—তৃণমূল সমর্থকদের গো ব্যাক স্লোগানের মুখে পড়েন অধীর। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন।উল্লেখ্য, শনিবারও বহরমপুরে অধীরের মিছিল ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচারে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। কংগ্রেস দাবি করে, তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে একদল যুবক মিছিলের পথে জড়ো হয়েছিলেন। কংগ্রেস কর্মীরা পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে গো ব্যাক স্লোগান ওঠে, পাল্টা কংগ্রেস কর্মীরাও স্লোগান দিতে থাকেন। এর ফলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী অধীরকে সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়।এই ঘটনার জেরে অধীর চৌধুরী তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের কুকুরের বাচ্চা বলে তোপ দাগেন। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমি মানুষের কাছে প্রচারে এসেছি। ওরা ভয় পাচ্ছে। মারলে পিষে দেব।


