২৪ এপ্রিল ছবির প্রথম ঝলক সামনে আসতেই উত্তাল নেটপাড়া। আবহ সংগীতে যখন ‘খলনায়ক হুঁ ম্যায়’ ট্র্যাকটি বেজে ওঠে, তখন স্মৃতিমেদুর হয়ে পড়েন দর্শকরা। প্রকাশিত দুটি পোস্টারের একটিতে সঞ্জয়কে দেখা যাচ্ছে গম্ভীর মুখে ধূমপান করতে, অন্যটিতে তাঁর সেই চিরচেনা রহস্যময় হাসি। ‘কিছু কাহিনী শেষ হয় না… সেগুলো নতুন করে শুরু হয়।’ সঞ্জয় দত্তের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই বার্তাই বলিউডের সব মহলে আলোচনার কেন্দ্রে। সম্প্রতি মুম্বইয়ে ছবির ফার্স্ট লুক এবং পোস্টার প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সঞ্জয় জানালেন এক অজানা ইতিহাস।
পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের উপস্থিতিতেই অভিনেতা খোলসা করলেন, এই সিক্যুয়েলের বীজ বপন করা হয়েছিল জেলের কুঠুরিতে। ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় সাজা খাটার সময় সঞ্জয় দত্তের মাথায় ‘খলনায়ক’-এর ফেরার ভাবনাটি আসে। পরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে তিনি সেই খসড়া সুভাষ ঘাইয়ের কাছে নিয়ে যান এবং ‘শো-ম্যান’ ছবিটি তৈরির সবুজ সংকেত দেন। সঞ্জয় দত্তের মতে, সুভাষ ঘাই ছাড়া ‘খলনায়ক’-এর সফর কল্পনা করা অসম্ভব। তিনি পরিচালককে ‘লিভ ইন লিজেন্ড’ বলে সম্বোধন করেন। অন্যদিকে, সুভাষ ঘাই জানান, সঞ্জয় এবং তাঁর স্ত্রী মান্যতার অদম্য ইচ্ছা ও প্যাশনের ফসল হলো এই নতুন প্রজেক্ট। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘এই ছবি আগেরটির চেয়েও বড় এবং ভালো হবে’।


