ভোটের একদিন আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে উত্তেজনার পারদ চড়ল। নির্বাচন উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চে নামেন পুলিশ অবজারভার অজয় পাল শর্মা। আর সেই রুট মার্চ ঘিরেই শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ, যা মুহূর্তে পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করে তোলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রুট মার্চ চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ অবজারভারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় অযথা চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। জাহাঙ্গীর খানের দাবি, পুলিশ অবজারভার বিজেপির প্রভাবে কাজ করছেন এবং পরিকল্পিতভাবে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, ‘এভাবে ভয় দেখিয়ে ভোট প্রভাবিত করা যাবে না। ফলতার মানুষ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এর জবাব দেবেন’। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। অন্যদিকে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রুট মার্চ করা হচ্ছে।
ভোটের আগে যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ঘটনার জেরে ফলতা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বাজার থেকে গ্রামাঞ্চল—সব জায়গাতেই চাপা উত্তেজনার আবহ। ভোটের আগের দিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র এখন টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ভোটের প্রহর গুনছে। বুধবারের ভোটে এই উত্তেজনার কী প্রভাব পড়ে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনের।


