দাবাড়ু দীক্ষিতার জন্য গণতহবিল সংগ্রহে নামলেন বাবা

এক মাসে ৪৮৪ এলো রেটিং বাড়িয়ে বিশ্ব দাবা র্যা ঙ্কিংয়ে এক লাফে ২৯,২০০ ধাপ উপরে উঠে আসা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৪ বছর.....

এক মাসে ৪৮৪ এলো রেটিং বাড়িয়ে বিশ্ব দাবা র্যা ঙ্কিংয়ে এক লাফে ২৯,২০০ ধাপ উপরে উঠে আসা অন্ধ্রপ্রদেশের ১৪ বছর বয়সী প্রতিভাবান দাবাড়ু দীক্ষিতা মোদিপল্লি এখন বিশ্বমঞ্চে নজর কেড়েছে। চারটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সে ইতিমধ্যেই প্রথম ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার নর্ম অর্জন করেছে এবং অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্ব বালিকা বিভাগে শীর্ষস্থান দখল করেছে। তবে আন্তর্জাতিক মাস্টার এবং পরবর্তীতে গ্র্যান্ডমাস্টার হওয়ার স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে তার পরিবার। ইউরোপের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের বিপুল ব্যয়ভার বহন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৫ লক্ষ টাকার গণতহবিল সংগ্রহ শুরু করেছেন তাঁর বাবা এম শেষাদ্রি নায়ডু।

 

পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী শেষাদ্রি জানান, সংবাদমাধ্যমে মেয়ের সাফল্যের খবর ব্যাপকভাবে প্রচার হওয়া সত্ত্বেও সরকার বা কোনো বেসরকারি স্পনসরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আর্থিক সহায়তার আশ্বাস মেলেনি। ফলে বাধ্য হয়েই ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্ম কেটো-তে ৪৫ দিনের মধ্যে ১৫ লক্ষ টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। এই সংগৃহীত অর্থ দিয়ে মূলত উন্নত প্রশিক্ষণ, বিমানভাড়া, ভিসা, টুর্নামেন্ট এন্ট্রি ফি, ইউরোপে থাকা-খাওয়া এবং যাতায়াত খরচ মেটানো হবে। দীক্ষিতার কোচ তথা ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কৃষ্ণ তেজা জানিয়েছেন, উচ্চমানের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলার জন্য বার্ষিক অন্তত ১৫ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা একান্ত জরুরি। রেটিং বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এখন শীর্ষমানের কোচদের অধীনে ব্যক্তিগত ক্লাসের প্রয়োজন হচ্ছে, যার খরচও তুলনামূলকভাবে বেশি। প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থান নিশ্চিত করা গেলে আগামী এক বছরের মধ্যেই দীক্ষিতা ভারতের কনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টারদের অন্যতম হয়ে ওঠার পূর্ণ সম্ভাবনা রাখে।

আরও পড়ুন