তৃণমূল বুথ সভাপতির বাড়ি থেকে ১৮টি তাজা বোমা, একটি বন্দুক এবং ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হল বুথ সভাপতি মনিরুজ্জামান হালদারকে। শনিবার তাঁকে ডায়মন্ড হারবার আদালতে পেশ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাঁর হেফাজতের আবেদন জানাতে পারে বলে জানা গিয়েছে। কুলপির গাজীপুর পঞ্চায়েতের দৌলতপুর এলাকায় শনিবার ভোরে কুলপি থানার পুলিশ ও বিশেষ অভিযানকারী দলের যৌথ অভিযানে মনিরুজ্জামান হালদারের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
পুলিশ সূত্রে দাবি, তল্লাশিতে ১৮টি তাজা বোমা, একটি বন্দুক এবং ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। বোমাগুলি তাজা থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। সেগুলি নিষ্ক্রিয় করতে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলি কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে বাড়িতে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে পুলিশের দাবিকে ঘিরে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছে মনিরুজ্জামানের পরিবার।
তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, প্রতিবেশীদের একাংশও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছেন। এত পরিমাণ বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র কীভাবে বাড়িতে এল এবং সেগুলির প্রকৃত মালিক কে, তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। পুলিশের দাবি এবং পরিবারের পাল্টা অভিযোগ ঘিরে কুলপির দৌলতপুর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্তে এখন পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে।


