তাইওয়ান নিয়ে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি বেজিংয়ের

​বেজিংয়ে শুরু হওয়া দুই শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রধানের দু’দিনের ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠক ঘিরে এখন উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি। একদিকে যেমন বাণিজ্যের নতুন পথ.....

​বেজিংয়ে শুরু হওয়া দুই শক্তিশালী রাষ্ট্রপ্রধানের দু’দিনের ঐতিহাসিক শীর্ষ বৈঠক ঘিরে এখন উত্তাল আন্তর্জাতিক রাজনীতি। একদিকে যেমন বাণিজ্যের নতুন পথ খোলার ইঙ্গিত মিলেছে, তেমনই তাইওয়ান ইস্যুতে চিনের সুর ছিল নজিরবিহীনভাবে চড়া। ​তাইওয়ান নিয়ে চিনের লাল ফৌজি হুঁশিয়ারি ​বৈঠকের শুরুতেই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাইওয়ান ইস্যুতে কোনও রকম ভুল পদক্ষেপ চিন-মার্কিন সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে। বেজিংয়ের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, এই ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ করা হলে দুই দেশ সরাসরি সংঘাত বা এমনকি যুদ্ধের পথেও চলে যেতে পারে।

 

যদিও হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাইওয়ান নিয়ে বৈঠকের কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। ​জ্বালানি ও হরমুজ প্রণালী সঙ্কট ​ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য ছিল ইরান যুদ্ধের জেরে বন্ধ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করার বিষয়ে বেজিংয়ের সাহায্য নেওয়া। মার্কিন প্রশাসন চাইছে চিন মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আমেরিকার থেকে বেশি করে তেল ও গ্যাস কিনুক। বিশ্ব অর্থনীতির গতি সচল রাখতে এই জলপথ খোলার গুরুত্ব নিয়ে দুই নেতাই একমত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ​বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে নয়া দিশা ​বাণিজ্যিক দিক থেকে এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে: ​বোয়িং বিমান: চিন বড় অঙ্কের বোয়িং বিমান কেনার বরাত দিতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। ​চিপ ও এআই প্রযুক্তি: এনভিডিয়া এবং এলন মাস্কের মতো প্রযুক্তি প্রধানরাও এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গী হয়েছেন।

 

বেজিং চাইছে আমেরিকা যেন তাদের ওপর থেকে উন্নত চিপ ও সেমিকন্ডাক্টর তৈরির সরঞ্জামের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে। ​বাণিজ্য চুক্তি: দক্ষিণ কোরিয়ায় হওয়া দুই দেশের প্রাথমিক আলোচনায় ইতিবাচক সমাধানসূত্র মিলেছে, যা আগামী দিনে বড় কোনও চুক্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ​আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউসে শি জিনপিংকে পুনরায় সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধ ও বাণিজ্যের টানাপোড়েনের মাঝে এই বৈঠক বিশ্ব অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা বিশ্ব।

আরও পড়ুন