স্যালাইন কাণ্ডে সাসপেন্ড প্রত্যাহার কাজে ফিরলেন চিকিৎসক ও প্রাক্তন সুপার

শান্তনু বর্দ্ধন মেদিনীপুর মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে স্যালাইন কাণ্ডে তিনজন চিকিৎসক তৎকালীন সাসপেন্ড করেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর কিন্তু সেই তিনজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন.....

শান্তনু বর্দ্ধন মেদিনীপুর

মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে স্যালাইন কাণ্ডে তিনজন চিকিৎসক তৎকালীন সাসপেন্ড করেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর কিন্তু সেই তিনজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন পর কর্মস্থলে ফিরতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ২০২৫ সালে ৮ই জানুয়ারি রাতে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অস্ত্র প্রচারের সময় পাঁচজন প্রসূতির রিঙ্গির ল্যাকটেট স্যালাইন প্রয়োগ করা হয় স্যালাইন দেওয়ার পর তার শরীরের অবস্থা অবনতি ঘটে এবং গুরুতর প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় ওই ঘটনায় এক প্রসূতি ও এক নবজাতকের মৃত্যু হয় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং চিকিৎসা গাফিলতির অভিযোগ ওঠে।

 

স্বাস্থ্য দপ্তর মোট ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাসপেন্ডের নির্দেশিকা জারি করেন সাসপেন্ড হওয়ার মধ্যে ছিলেন সাতজন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি প্রসূতি বিভাগের ডক্টর মোহাম্মদ আলাউদ্দিন সিনিয়র রেসিডেন্ট ডক্টর পল্লবী বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ৩ জন চিকিৎসক এবং তৎকালীন হাসপাতাল সুপার ডক্টর জয়ন্ত কুমার রাউ পরবর্তী ২০২৫ সালে ২৪ শে ফেব্রুয়ারি ৭ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনির সাসপেন্ড প্রত্যাহার করা হলেও বাকি চিকিৎসক ও হাসপাতাল সুপারের সাসপেন্ড বহাল ছিল চলতি বছরে ৩১ শে জানুয়ারি অবসর গ্রহণ করে প্রসূতি বিভাগের প্রধান ডাক্তার মোহাম্মদ আলাউদ্দিন অবস্থায় অবসর নেওয়ার কারণে তিনি অবসরকালীন বিভিন্ন সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরা সাসপেন্ড প্রত্যাহার করে জানিয়েছেন 2025

 

সালের ১৬ই জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালে ৩১ শে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়কালে কর্ম ব্যরত সময়ে পূর্ণ বেতন ভাতা পেনশন এবং অন্যান্য অবসানকালীন সুবিধা পাওয়ার অধিকারী হবেন একই সঙ্গে আরো তিনজন চিকিৎসক এবং পার্বত্য হাসপাতাল সুপার সাসপেন্ডেরও প্রত্যাহার করা হয়েছে, তারা মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগ দেন এই প্রশাসনিক জটিলতার অবসান চিকিৎসক মহল স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে তবে স্যালাইন কান্ড নিয়ে বিতর্ক ও তদন্তের স্মৃতি এখনো হাসপাতাল চত্বরে আলোচনা বিষয় হয়ে রয়েছে।।

আরও পড়ুন