আলস্যের কোনো জায়গা নেই তৃণমূলে। পূর্বস্থলী উত্তরের জনসভা থেকে প্রাক্তন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়কে কার্যত তুলোধোনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ‘কেউ কাজ করবে না, আবার সারাজীবন প্রার্থী থাকতে চাইবে—এটা দল মেনে নেবে না। যে মানুষের জন্য কাজ করবে না, তাকে দলে রাখা যায় না’। এদিন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই ক্ষোভ উগরে দেন দলনেত্রী। তবে শুধু শাসন নয়, উন্নয়নের খতিয়ানও তুলে ধরেন তিনি।
কালনা-শান্তিপুর সেতু প্রসঙ্গে নেত্রীর আশ্বাস, প্রায় ১১০০ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছে। সেতু চালু হলে মাত্র ১৫-২০ মিনিটেই গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি ‘এসআইআর’-এর নামে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া নিয়ে গর্জে ওঠেন মমতা। সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘এই অন্যায়ের বদলা হবে কি না’। ভোটের মুখে মুখ্যমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ জেলা রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করল।


