নোটিস ছিঁড়ে ‘দাদাগিরি’! অভিষেকের বাড়ি ঘিরে নতুন বিতর্ক

হরিশ মুখার্জি রোডে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর ‘শান্তিনিকেতন’ বাড়িকে ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল। কলকাতা পুরনিগমের নোটিস লাগানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তা.....

হরিশ মুখার্জি রোডে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জীর ‘শান্তিনিকেতন’ বাড়িকে ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়াল। কলকাতা পুরনিগমের নোটিস লাগানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক বাউন্সারের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তর সব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।পুরনিগম সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়িটির বৈধতা ও নির্মাণ সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে প্রশ্ন তুলে আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় ফের পুরনিগমের অ্যাসেসমেন্ট বিভাগের দুই আধিকারিক নিয়ম মেনে বাড়ির দেওয়ালে নতুন নোটিস সাঁটান।

 

প্রথমে কোনও বাধা না এলেও,অভিযোগ মাত্র এক মিনিটের মধ্যেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসা এক বাউন্সার সেই নোটিস ছিঁড়ে ফেলেন।পরে সেখানে শুধু আঠার দাগ দেখা যায়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অস্বস্তি আরও বেড়েছে।কারণ,সরকারি নোটিস নষ্ট করা আইনত গুরুতর অপরাধ বলেই ধরা হয়। পুরনিগমের একাংশের মতে, পরপর দু’বার একই ধরনের ঘটনা ঘটায় বিষয়টি আর সাধারণ প্রশাসনিক ইস্যুতে সীমাবদ্ধ নেই।এবার আইনি পদক্ষেপের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।বিরোধীরাও এই ঘটনাকে হাতিয়ার করেছে। বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। প্রয়োজনে অভিযোগ দায়ের করতেই হবে।” অন্যদিকে প্রাক্তন মেয়র ও আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যর প্রশ্ন তুলেছেন, সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে যে কড়াকড়ি দেখা যায়, প্রভাবশালীদের ক্ষেত্রেও কি একই নিয়ম কার্যকর হবে ?

 

শুধু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িই নয়,তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও একইভাবে নোটিস ছেঁড়ার অভিযোগ উঠেছে।ফলে ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপ বাড়ছে পুর প্রশাসনের উপরও।এখন পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুরনিগম।সিসিটিভি ফুটেজ,আধিকারিকদের রিপোর্ট ও স্থানীয় তথ্য সংগ্রহ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত, প্রয়োজন হলে অভিযোগ দায়ের থেকে শুরু করে আরও কড়া আইনি পদক্ষেপও করা হতে পারে।

আরও পড়ুন