ভোটে ভরাডুবির পর এবার জেলা সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার । তৃণমূল রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বলেও জানান ।রবিবার মধ্যমগ্রামে বারাসাত সংগঠনিক জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজের পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন তিনি।নির্বাচনে এই জেলায় আশানুরূপ ফল না হওয়ার ‘নৈতিক দায়’ নিয়ে তিনি পদ ছাড়লেও, তাঁর ক্ষোভের তির ছিল মূলত দলের সাম্প্রতিক রণকৌশল ও সাংগঠনিক কাঠামোর দিকে।‘ভুঁইফোড় সংস্থাকে দিয়ে কঠিন কাজ হয়না’
পদত্যাগের ঘোষণা করার পরেই দলীয় গঠনতন্ত্রের একাংশের বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগেন বারাসাত লোকসভার সাংসদ। নাম না করে ‘আইপ্যাক’ কে নিশানা করে বলেন একথা। আমারও হয়তো কোনও ভুল হয়েছে, নৈতিক দায় নিতেই হবে’।
যেখানে আমি সাংগঠনিক সভাপতি আমাকে ও কিন্তু তার দায়ভার নিতে হবে , তা স্বীকার করে নেওয়ার নৈতিক অধিকার আছে। নিশ্চয়ই আমারও কোনও ভুলভ্রান্তি আছে দল পরিচালনায়। তাই রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছি। পদত্যাগ করেছি সভাপতির পদ থেকে।
উল্লেখ্য,কাকলিকে নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই কানাঘুষো শুরু হয়েছিল দলের অন্দরে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর লোকসভার মুখ্য সচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় কাকলিকে। পুনরায় সেই দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন কাকলি। এর কয়েক দিন পরই জানা যায়, কাকলি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাচ্ছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমদের নিরাপত্তা যেখানে কাটছাঁট করা হয়েছে, সেখানে কাকলিকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন, প্রশ্ন ওঠে তৃণমূলের অন্দর থেকেই। কাকলি যদিও জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতেও হামলা হয়েছে। বিপদ রয়েছে তাঁর। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়েছেন সেই কারণেই।


