নন্দীগ্রামে প্রয়াত বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতির স্মরণসভা থেকে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বার্তা দিলেন এগরার বিজেপি বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী। বুধবারের এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থেকে তিনি বলেন, ‘বাংলায় নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই আইন মেনেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিনের সভায় দিব্যেন্দু অধিকারীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা, সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর নন্দীগ্রামের কেন্দ্যামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের চিল্লগ্রামের বাসিন্দা দেবব্রত মাইতি গুরুতর জখম হন এবং ১৩ মে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রথমে রাজ্য পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় সিবিআই। তদন্তে ইতিমধ্যেই ৪২ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করা হয়। আদালতের নির্দেশে কয়েকজনকে জেলার বাইরেও থাকতে হয়েছিল। দিব্যেন্দু অধিকারী বলেন, ‘দাদা মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। নতুন সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ভারতীয় ন্যায় সংহিতা লাগু করার কথা বলা হয়েছে।
বাংলায় দোষীরা নিশ্চয়ই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর কাজের প্রশংসা আমি করব না, বাংলার মানুষ করবে। সবে দায়িত্ব নিয়েছেন। আগামী পাঁচ বছর কঠিন লড়াইয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে।’ পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলে তা দেখিয়ে অসামাজিক কাজ করলে তা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সে যেই হোক না কেন।’ অন্যদিকে, দেবব্রত মাইতির স্ত্রী কল্পনা মাইতি বলেন, ‘শুভেন্দুদা সবসময় আমাদের পরিবারের পাশে ছিলেন। এখন উনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এবার দোষীরা শাস্তি পাবে বলেই আশা করছি।


