অনেকেই মনে করেন টোনার এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট একে অপরের পরিপূরক। আদতে তা নয়, কাজ এক হলেও দুটির উপাদান ভিন্ন। গরমকালে ত্বকের যত্নে টোনার এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট—দুটোই ব্যবহৃত হয়, তবে দুটির কাজ ও উপযোগিতা একটু আলাদা। তাই ত্বকের ধরন অনুযায়ী নির্বাচন করা উচিত।
টোনার মূলত ত্বককে পরিষ্কার ও হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। ফেসওয়াশের পরে ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখতে এবং ত্বককে সতেজ করতে টোনার ব্যবহার করা হয়।
গরমকালে টোনারের উপকারিতা:
ত্বককে ঠান্ডা ও সতেজ রাখে,হালকা ময়েশ্চার দেয়
ঘাম ও ধুলোবালি পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
সব ধরনের ত্বকের জন্যই সাধারণত নিরাপদ
বিশেষ করে শুষ্ক বা নরমাল স্কিন হলে টোনার ব্যবহার করাই ভালো। গোলাপজল টোনার গরমকালে খুব জনপ্রিয়।
অন্যদিকে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট একটু বেশি শক্তিশালী ধরনের স্কিন প্রোডাক্ট। এতে সাধারণত অ্যালকোহল বা পোর-টাইটেনিং উপাদান থাকে, যা ত্বকের অতিরিক্ত তেল কমাতে সাহায্য করে।
গরমকালে অ্যাস্ট্রিনজেন্টের উপকারিতা:অতিরিক্ত তেল নিয়ন্ত্রণ করে,পোরস ছোট দেখাতে সাহায্য করে,ব্রণ বা তেলতেলে ত্বকে উপকারী,তবে শুষ্ক বা সংবেদনশীল ত্বকে এটি ব্যবহার করলে ত্বক আরও শুকিয়ে যেতে পারে।তেলতেলে বা ব্রণপ্রবণ ত্বকে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ভালো।শুষ্ক বা নরমাল ত্বকে টোনার ব্যবহার করা নিরাপদ ও উপকারী।
তাই গরমকালে বেশিরভাগ মানুষের জন্য হালকা ও হাইড্রেটিং টোনারই বেশি উপযোগী। যাদের ত্বক তৈলাক্ত নয় তারা নিঃসন্দেহে এবং নির্দ্বিধায় টোনার ব্যবহার করুন। এবং যাদের মুখে ৱ্যাশ ও ব্রোনোর সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য উপকারী হল অ্যাস্ট্রিনজেন্ট।


