শর্মিলা ঠাকুরকে তীব্র আক্রমণ শমীকের

‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ অংশ গাওয়া হবে, নাকি শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক এই বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার সেই.....

‘বন্দে মাতরম’-এর সম্পূর্ণ অংশ গাওয়া হবে, নাকি শুধুমাত্র প্রথম দুটি স্তবক এই বিতর্ক ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। এবার সেই বিতর্কে প্রবীণ অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তাঁকে তীব্র আক্রমণ শানালেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অভিনেত্রীর নাতি তৈমুর আলি খানের নাম টেনে তাঁর মন্তব্যকে কটাক্ষ করলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবসের দিন কংগ্রেসের সদর দপ্তরে পতাকা উত্তোলনের সময় পূর্ণাঙ্গ বন্দেমাতরম গান গাওয়া নিয়ে সোনিয়া গান্ধীর অস্বস্তিকে ঘিরে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপির আক্রমণের জবাবে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ১৯৩৭ সালের কংগ্রেস অধিবেশনের সিদ্ধান্ত মেনে বন্দে মাতরম এর প্রথম দুটি স্তবক গাইবে তারা। কার্যত সেই সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানান বলিউড অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। শর্মিলা ঠাকুর জানিয়েছিলেন, ধর্মনিরপেক্ষ দেশে বন্দে মাতরমের পরবর্তী স্তবকগুলি নিয়ে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সমান গ্রহণযোগ্যতা নাও থাকতে পারে।

 

তাঁর বক্তব্য ছিল, পরবর্তী অংশে কালী ও দুর্গার মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে, যা একেশ্বরবাদী ধর্মে বিশ্বাসী মানুষের কাছে অস্বস্তিকর হতে পারে। তাঁর মতে, প্রথম দুটি স্তবকে মূলত মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়েছে, তাই জনসমক্ষে পরিবেশনের ক্ষেত্রে এই দুটি স্তবকই বেশি সর্বজনগ্রাহ্য। শর্মিলা ঠাকুরের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তাঁর নাতি তৈমুর আলি খানের প্রসঙ্গ টেনে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘শর্মিলা ঠাকুর তাঁর ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ করতেই পারেন। তবে তাঁর দাবি, ঐতিহাসিক শাসক তৈমুরের সঙ্গে মন্দির ধ্বংস, গণহত্যা এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের মতো ঘটনা জড়িয়ে রয়েছে। সেই একই নামে শর্মিলা ঠাকুরের নাতির নাম রাখা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাই বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা ঠাকুর যত কম কথা বলেন, ততই ভালো।’

আরও পড়ুন