রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের অন্তিম তথা সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ আগামীকাল, ২৯ এপ্রিল। এই দফায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা সহ ৭টি জেলার মোট ১৪২টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন ডিসিআরসি সেন্টারে ভোটকর্মীদের ব্যস্ততা ছিল তুঙ্গে। কড়া নিরাপত্তায় ইভিএম ও প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে বুথে বুথে পৌঁছে গিয়েছেন ভোটকর্মীরা। মঙ্গলবার সকাল থেকেই নামখানা কলেজ মাঠে ডিসিআরসি সেন্টারে ভোটকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রশাসন সূত্রে খবর, নামখানা কলেজ থেকে মোট ১২৮টি বুথের জন্য ভোট সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোট ৯,৩০৮টি পোলিং স্টেশন রয়েছে। জেলার মোট ভোটার সংখ্যা ৭৬,০১,৫১৮ জন।
সুশৃঙ্খলভাবে কাজ পরিচালনার জন্য জেলায় মোট ৩০টি ডিসিআরসি কেন্দ্র খোলা হয়েছে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন এবার কার্যত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং ৪০৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। স্পর্শকাতর বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারি চালানো হচ্ছে। ভোটকর্মীদের নিরাপদে বুথে পৌঁছে দিতে কমিশনের পক্ষ থেকে বিশেষ পরিবহণ ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়। কমিশনের এই সক্রিয়তায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভোটকর্মীরা। এক ভোটকর্মীর কথায়, ‘নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুব্যবস্থা থাকায় আমরা অনেক বেশি স্বস্তিতে কাজ করতে পারছি।’ ২৯ এপ্রিল বুধবার সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ভোটগ্রহণ।
নির্বাচনের আগের রাত থেকেই ১৪২টি নির্বাচনী ক্ষেত্র জুড়ে চলছে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জোরদার নাকা চেকিং এবং রুট মার্চ। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতে বিভিন্ন সীমানা সিল করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, প্রতিটি বুথে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনী থাকছে। ভোটাররা যাতে ভয়হীন পরিবেশে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন দেখার, শেষ দফার এই ‘মেগা ফাইটে’ জনতা জনার্দন কার পক্ষে রায় দেয়।


